গঠনতন্ত্র

গঠণতন্ত্র

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা

সূচনা ঃ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে কর্মরত চলচ্চিত্র  ক্যামেরাম্যানবৃন্দ অর্থাৎ চলচ্চিত্র গ্রাহকবৃন্দ তাদের একতা, শৃংখলা ও সৌহার্দমূলক  সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য  সার্বিক কল্যাণমূখী একটি সংগঠণ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেআসছে বহুদিন ধরে। পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতায় যে কোন সমস্যার সুষ্ঠ  সমাধান সম্ভব। চলচ্চিত্র গ্রাহকদের যে কোন সমস্যার  সমাধান ও কল্যাণমূলক উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই সংগঠণ করা হলো। সরকারী নীতি ও বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একটি অরাজনৈতিক সংগঠণ হিসাবে পরিচালিত হবে। 

১.         সংগঠণের নাম

ক)        এই সংগঠণের নাম হবে ’’ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা’’ সংক্ষেপে ’’বাচস’’ এবং ইংরেজীতে “ইঅঘএখঅউঊঝঐ ঈওঘঊগঅঞঙএজঅচঔঐঊজ’ঝ ঝঙঈওঊঞণ’’  সংক্ষেপে ইঈঝ

খ)        গঠণতন্ত্রে বিভিন্ন জায়গায় সংগঠণ বলতে ’’বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা’’ কে বুঝাবে।

২.         কার্যালয়

সংগঠণের কার্যালয় প্রাথমিক ভাবে/ সাময়িক ভাবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন-এ অবস্থিত থাকবে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে নির্বাহী পরিষদেরর সিন্ধান্ত অনুসারে ঢাকাস্থ যে কোন স্থানে স্থানান্তর করা যাবে। 

৩.        উদ্দেশ্য

ক)        চলচ্চিত্র গ্রাহকদের মধ্যে একতা, শৃংখলা, সম্প্রীতি, ভাতৃত্ব ও সৌহার্দমূলক  সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তাদের সার্বিক কল্যাণ সাধনের সচেষ্ট হওয়া।  

খ)        সংঘঠণের তালিকাভুক্ত ও আওতাভুক্ত সাধারণ সদস্যের  প্রয়োজন মোতাবেক সহায়তা বা সাহায্য প্রদান।

গ)        জাতীয় স্বার্থে ও সমাজ উন্নয়নে নিজেদের  কর্মক্ষেত্রকে উন্নয়নমূখী করা।

ঘ)        নিজেদের  কর্মক্ষেত্রের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করেজাতীয় বৈশিষ্টের মাধ্যমে পৃথিবীর শিল্প কর্মে প্রতিযোগিতামুলক ভুমিকা পালনে সচেষ্ট হওয়া। 

ঙ)        চলচ্চিত্র গ্রহন শাখার উন্নয়নমূখী কর্মধারার মাধ্যমে নিজেদের সীমিত জ্ঞানকে উন্নত ও প্রসারিত করেসার্বিক শিল্প সৃষ্টির অনুধাবনে  ও হাতেকলমে নিজেদের কর্মক্ষেত্রের তাত্বিক জ্ঞান লাভের অনুশীলনে ’একটি চলচ্চিত্র কেন্দ্র’  ও  ’চলচ্চিত্র পাঠাগার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা। 

চ)         চলচ্চিত্র গ্রহন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিজেদের  মধ্যে শিল্প সৃষ্ঠির বিনিময়, ভাবধারা ও গুণগত মান উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক আলাপ আলোচনা, সভা ও সেমিনার করা।

ছ)        চলচ্চিত্র শিল্পের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নমুখী ক্রমবিকাশের প্রয়োজনে বিশেষ বিশেষ কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সচেষ্ট হওয়া।

জ)       কোন চলচ্চিত্র গ্রাহক মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় পতিত হলে বা তার মৃত্যু হলে সংগঠণের তহবিল থেকে সথাসম্ভব সাহায্য প্রদান ও সম্ভব হলে পরিবারবর্গকে এককালীন সাহায্য প্রদান।

পৃষ্ঠা ঃ ০৩

ঝ)        কল্যাণ মূলক কাজের জন্য ট্রাষ্ট ও ফান্ড গঠন করা।   

ট)         বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমূলক সংগঠন/ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন, সহযোগিতা ও সমন্বয় সাধন।

৪.         সদস্য

ক)        সংগঠনের স্থায়ী ও সহযোগী দু’প্রকারের সদস্য থাকবে।

খ)        সহযোগী সদস্য পদ প্রাপ্তির জন্য চলচ্চিত্র / তথ্য/ টিভি/ ফটোজার্নালিষ্ট/ স্থিরচিত্র সহ সকল সাংস্কৃতিক মনা ব্যক্তিগণ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংগঠন করাবর আবেদন করিতে পারিবে।

গ)        আবেদনের সাথে আবেদনকারীর বায়োডাটা সংগঠনের নিয়ম মোতাবেক আবেদন ফরম সংগ্রহ কওেআবেদন করতে হবে।

ঘ)        সংগঠনের নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ’সহ আবেদনের সাথে ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা সংগঠন বরাবর জমা দিতে হবে।

ঙ)        নির্বাহী পরিষদের ইন্টারভিউ কমিটির  চূড়ান্ত সিন্ধান্তে সদস্যপদ দেওয়া হবে।

চ)         আবেদনকারী ইন্টারভিউ কমিটি থেকে ইন্টাভিউ’তে উত্তÍীর্ণ হওয়ার পর সদস্য প্রাপ্তিতে আরো ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা জমা দিয়ে সহযোগী সদস্যপদের সার্টিফিকেট গস্খহণ করিবেন। 

৫.        সদস্য পদ থেকে স্থায়ী পদে অর্ন্তভূক্ত

ক)        সেন্সর ছাড়পত্র দুটি পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্রের সহযোগী সহযোগী সদস্যও আবদনের প্রেক্ষিতে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া হবে।

৬.        চাঁদ্যা

ক)        স্থায়ী ও সহযোগী সকল সদস্যেও বাৎসরিক চাঁদা ৬০০/-(ছয়শত) টাকা করে প্রদান করিতে হইবে।

খ)        বাৎসরিক চাঁদা ২ (কিস্তি) তে পরিশোধ করা যাবে।

গ)        কোন সদস্য প্রতি বছর জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে যদি তাহার বাৎসরিক চাঁদা পরিশোধ করিতে ব্যর্থ হন তবে তাকে বাৎসরিক ৬০০/-(ছয়শত) টাকা সহ জরিমানা বাবদ আরো ৬০০/-টাকা অর্থাৎ (৬০০ + ৬০০) মোট ১,২০০/- টাকা পরিশোধ করিতে হইবে। অন্যথায় তাহার ভোটাধিকার ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা’সহ তাঁর সদস্যপদ স্থগিত থাকবে। পূনরায় সদস্যপদ প্রাপ্তির জন্য সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করিতে হইবে।

৭.         স্থায়ী সদস্যের অধিকার

ক)        সাধারণ সভায় যোগদান, ভোট প্রদান, প্রস্তাব পেশ ও সমর্থন দান। 

খ)        নির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য নাম প্রস্তাব ও সমর্থন দ;ান।

গ)        নির্বাচনের অংশগ্রহণ, নির্বাহী পরিষদেও যে কোন পদে নির্বাচিত হলে অর্পিত দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন।

ঘ)        সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত সেমিনারে অংশ গ্রহন।

ঙ)        সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য সকল সুবিধা ভোগ গ্রহণ।

পৃষ্ঠা ঃ ০৪

৮.        ব্যাংক একাউন্ট

ক)        সাধারণ সদস্যর সিন্ধান্ত মোতাবেক  যে কোন সিডিউল ব্যাংকে সংগঠনের দুইটি একাউন্ট খোলা যাবে। যাহার একটি থাকবে চলতি হিসাব অন্যটি ডিপোটিট সঞ্চয়ী হিসাব।  

৯.         চলতি হিসাব একাউন্ট

ক)        সংগঠনের প্রতিদিনের আয় অত্র হিসাবের একাউন্টে রাখতে হবে।  

খ)        সংগঠনের সর্বপরি  প্রতি দিনের খরচ মিটানো হবে উক্ত একাউন্ট থেকে।  

গ)        উক্ত একাউন্ট হইতে প্রতি ৬ (ছয়) মাস পর পর ব্যাংক হিসাব নিকাশ (এস্টেটমেন্ট) উত্তোলন করিতে হইবে। যাহা প্রতি সাধারণ সভায় পেশ করিতে হবে।  

১০.       ডিপোজিট সঞ্চয়ী একাউন্ট

ক)        সংগঠনের প্রতি বছরের ব্যয়ের অবশিষ্ট উদ্ধৃত্ত টাকা অথবা কোন অনুদানের টাকা সংগঠন প্রাপ্ত হইলে তাহাও ডিপোজিট সঞ্চয় হিসাব একাউন্টে জমা করিতে হইবে।  

খ)        সংগঠনের ডিপোজিটকৃত একাউন্টের টাকা নির্ধারিত সময়ে উত্তোলনের জন্য সাধারণ সভার আয়োজন করে সর্বমোট স্থায়ী সদস্যের কমপক্ষে ৯০% ভাগ সদস্যর অনুমতি ও স্বাক্ষর গ্রহণ করতে হইবে।

১১.       উভয় ব্যাংক একাউন্ট হইতে টাকা উত্তোলন

ক)        সভাপতি/ মহাসচিব/ অর্থসচিব এই তিন জনের মধ্যে দুই জনের স্বাক্ষরে উভয় ব্যাংক একাউন্ট হইতে টাকা উত্তোলন করিতে পারিবে। তবে দুইজনের মধ্যে অবশ্যই সভাপতির স্বাক্ষর থাকিতে হইবে।  

খ)        তিনজনের যে কোন একজন অসুস্থ প্যারালাইস/ কর্ম অক্ষমতা/ মৃত্যুবরণ করেন তবে সাধারণ সভায় উক্ত ব্যাক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে মনোনীত করে চেক সাইন/ স্বাক্ষর করার ক্ষমতা প্রদান করা হবে।

১২.       অর্থ খরচ

ক)        সংগঠনের সভাপতি/ মহাসচিব/ অর্থসচিব এই তিনজনে যৌথভাবে একমত হয়ে কার্যকরী পরিষদের অনুমতি ব্যতিত সংগঠনের তাৎক্ষনিক জরুরী প্রয়োজনে সর্ব্বোচ্য ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা ব্যাংক হইতে উত্তোলন করিতে পারিবে। তবে তাহা অবশ্যই তিন কার্যদিবসের  মধ্যে কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের সভায় খরচের বিলটি পাম করিয়ে নিতে হবে।   

১৩.       ফিক্সড ডিপোজিট টাকা বন্টন

ক)        ফিক্সড ডিপোজিট টাকার মালিক সংগঠনের সকল স্থায়ী সদস্যগণ।

খ)        ফিক্সড ডিপোজিট টাকার মূলধন সঠিক রেখে তাহার লভ্যাংশ প্রতিটি স্থায়ী সদস্যদের মাঝে বন্টন করা হবে। যাহা অগ্রিম চিকিৎসাখাত নামে প্রযোজ্য।

পৃষ্ঠা ঃ ০৫

১৪.       চিকিৎসা খাতে অনুদান

ক)        বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা / সংগঠনের সকল স্থায়ী সদস্যগণকে প্রতি ৬ মাস পর পর ফিক্সড ডিপোজিটের টাকার লভ্যাংশ হইতে একালীন অগ্রিম চিকিৎসাখাতে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা করে অনুদান হিসাবে প্রদান করা হবে।  

খ)        প্রথম ২০১৫ সালের  ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের সময় তাহার লভ্যাংশ যে সকল সদস্য ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা করে গ্রহন করেছেন তাহারা দ্বিতীয় দফায় ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা উত্তোলনের সময় অংশীদার হবে না বা পাবে না। যাহারা প্রথম দফায় অংশীদার হয় নাই বা পায় নাই, তাহারাই শুধু দ্বিতীয় দফায় ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা করে অগ্রিম চিকিৎসা অনুদান হিসাবে পাবে। তৃতীয় দফায় ফিক্সড ডিপোজিটের টাকা উত্তোলনের সময় সংগঠনের সকল স্থায়ী সদস্যগন  সর্বমোট মুনাফা/ লভ্যাংশ এর টাকা সমভাবে বন্টন করে নেবে। তবে বিতরনের সময় অবশ্যই মূলধন সঠিক রাখিতে হবে। এমনি যতদিন এ মূলধনের টাকা থাকবে তাহার লভ্যাংশ সকল স্থায়ী সদস্যগণই বাইরোটেশন পেতে থাকবে।  

১৫.      ব্যয়বহুল চিকিৎসাখাতে অনুদান

ক)        সংগঠনের কোন স্থায়ী সদস্য যদি কোন দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন যেমনঃ ক্যান্সার/হার্ট অপারেশন/ প্যারালাইজড/ কিডনী অপারেশন/ চোখ অপারেশন ইত্যাদি রোগের রুগীদের সংগঠন বরাবর আবেদনের পরিপেক্ষিতে কার্যকরী কমিটি রোগীর সর্বপ্রকার হাসপাতালের কাগজপত্রাদি পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে সাধারণ সভায় অনুমতি ব্যতিরেকে উক্ত রোগীকে সর্বমোট ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা  ব্যয়বহুল রোগের চিকিৎসার জন্য অনুদান প্রদান করিতে পারিবেন। তবে একজন সদস্য একবারের বেশী অত্র ব্যয়বহুল টাকা চিকিৎসাখাতে পাবে না।

১৬.      মৃত্যুকালীন টাকা

ক)        কোন সদস্য মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকালীন টাকার জন্য আবেদন করিতে পারিবে না।  করিলেও তা গ্রহনযোগ্য হবে না।  

খ)        সংগঠনের সকল স্থায়ী ও সহযোগী সদস্যগণের মৃত্যুর পর প্রাথমিক সৎকার / জানাজা সম্পন্ন করার জন্য ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা করে প্রদান করা হবে। উক্ত টাকা সংগঠনের কার্যকরী পরিষদ মৃত্যু সংবাদ প্রাপ্ত হওয়ার সাথে সাথে ঐ সদস্যর পরিবারের নিকট পৌছিয়া দিবে। 

১৭.       কার্য বর্ষ

১ লা জুলাই হতে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত সংগঠনের কার্যবর্ষ গণনা করা হবে।

১৮.      নির্বাহী পরিষদের কার্য্যকাল

ক)        প্রতি দুই কার্যবর্ষ হবে নির্বাচিত প্রতি নির্বাহী পরিষদের এক কার্যকাল।

খ)        জুন মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গ)        সভাপতি ও মহাসচিব এক সাথে দুই কার্যকালের বেশী ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। এক কার্যকাল বিরতির পর পূনরায় উক্ত পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিতে পারিবে। তবে অন্য যে কোন পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করিতে পারিবে।

পৃষ্ঠা ঃ ০৬

১৯.       নীতিমালা

ক)        এই সংগঠনে শুধুমাত্র চলচ্চিত্র গ্রাহকগণই সদস্য থাকবে এবং চলচ্চিত্র গ্রাহকগণ দ্বারা পরিচালিত হবে।   

খ)        সদস্যগণ প্রয়োজনবোধে সংগঠনের স্বার্থে যে কোন ব্যক্তিকে সম্মানিত সদস্য (ঐঙঘঙজঅজণ গঊগইঊজ) হিসাবে নিতে পারবে।

গ)        সংগঠনের যে কোন সদস্যকে  সম্মান প্রদর্শন করতে পারবে সম্বর্ধনার মাধ্যমে।

ঘ)        সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে বার্ষিক রিপোর্ট সংগঠনের সাধারণ সভায় পেশ করতে হবে।

ঙ)        সাধারণ নির্বাচনের পূর্বে নির্বাহী পরিষদ ভেঙে দিতে হবে। সংগঠনের পূর্বতন সভাপতি সকল দায়িত্বে তৎপর থেকে সংগঠনের সকল কাজ  ও নির্বাচন সমাধান করবেন এবং সম্ভব হলে ফলাফলের সঙ্গে সঙ্গে  নতুন নির্বাহী পরিষদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর সহ  সংগঠনের যাবতীয়  কাগজপত্র প্রদান করবেন।

চ)         নির্বাহী পরিষদ প্রতি ইংরেজী মাসের প্রত্যেক দ্বিতীয় শনিবার সভায় মিলিত হবে। প্রতি চয় মাস অন্তর শুক্রবার সাধারণ সভায় মিলিত হবে। এবং বৎসরে জুন মাসে  বার্ষিক সাধারণ সভায় মিলিত হবে।

ছ)        তিনদিনের নোটিশে জরুরী সভা  ও প্রয়োজনের তাগিদে চব্বিশ (২৪) ঘস্টার নোটিশে যে কোন বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হতে পারবে।

জ)       সাধারণ নির্বাচনের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যর উপস্থিতি অপরিহার্য্য।

ঝ)        প্রয়োজনে উপ-কমিটি গঠণ করা যাবে।

ঞ)       আয় ব্যয়ের হিসাব বার্ষিক সাধারণ সভায় পেশ করতে হবে।

ট)         কোন সদস্যকে “আজীবন সদস্য” সম্মাননা সাধারণ সভার মাধ্যমে করা হবে। আজীবন সদস্যকে কোন চাঁদা দিতে হবে না।

ঠ)         ‘আজীবন সদস্য’ ভূষিত সম্মানিত সদস্য সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হতে পারবেন না। তবে নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে ভোট দানের ক্ষমতা থাকবে। নির্বাহী পরিষদ বা সভাপতি কর্তৃক মনোনীত যে কোন কমিটিতে সদস্য হতে পারবেন।

ড)        সংগঠনের চলচ্চিত্র শিক্ষা কেন্দ্র, গবেষণামূলক তথ্যকেন্দ্র, পরিচিত বা বিনিময় অথবা যে কোন রকমের শিক্ষা কর্মসূচী গ্রহণ করতে পারবে।

ঢ)         সংগঠনের স্বার্থে যে কোন রকমের অনুষ্ঠান বা উৎসব কর্মসূচী গ্রহণ করতে পারবে।

ণ)         স্ব-ইচ্ছায় যে কোন সদস্য সংগঠন ত্যাগ করতে পারবে তবে সংগঠনে তার সকল দায় দায়িত্ব বুঝিয়া দিতে বাধ্য থাকবে।

ত)        সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যগণ সংগঠনের স্বার্থে ৯৫% ভাগ সদস্য উপস্থিত ও এক মত হয়ে সংগঠনের নিয়ম-বিধি লংঘন কারি যে কোন সদস্য বা কর্মকর্তা ব্যক্তিকে অপরাধের গুরুত্ব সতর্ক, চরম সতর্ক বা বহিস্কার করিতে এবং তাহার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।

পৃষ্ঠা ঃ ০৭

২০.      সাংগঠণিক কাঠামো

ক)        সংগঠনের দুইটি পরিষদ থাকিবে।

            ১. সাধারণ পরিষদ

            ২. নির্বাহী পরিষদ

খ)        প্রয়োজনবোধে নির্বাহী পরিষদ একাধিক উপ-পরিষদ গঠন করতে পারবে।   

২১.       সাধারণ পরিষদ

ক)        সংগঠনের সকল সদস্য সাধারণ পরিষদের সদস্য বলে গণ্য হবে।

খ)        সাধারণ পরিষদের সদস্য গনের গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।

২২.      নির্বাহী পরিষদ

ক)        নি¤œলিখিত সদস্য সমন্বয়ে নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।

সভাপতি ১ জন, সহ-সভাপতি ১ জন, * মহাসচিব ০১ জন, * সহ-মহাসচিব ০১ জন, * অর্থসচিব ০১ জন, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক ১ জন, সাংস্কতিক সম্পাদক ১ জন, বৈদেশিক বিষয়ক সম্পাদক ১ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন,  নির্বাহী পরিষদ সদস্য  ৬ জন। 

খ)        নির্বাহী পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে মোট ১৫ জন। বার্ষিক সভার সিন্ধান্ত অনুযায়ী এই সদস্য বাড়ানো বা কমানো যেতে পারে।

গ)        নির্বাহী পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্যগণ নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দ্বারা শপথ বাক্য পাঠের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব গ্রহণের অঙ্গীকার করবেন।

২৩.      শপথ বাক্য নি¤œরূপঃ

আমি……. বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের …….. পদে একজন নির্বাচিত সদস্য। আমি আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করিতেছি যে, আমি কোন প্রকার রাগ বা অনুরাগের বশবর্তী না হয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংগঠনের স্বার্থ সমূন্নত রাখতে সর্বদা সচেষ্ট থাকিব এবং আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করিব। আমি অঙ্গীকার করিতেছি যে, সংগঠনের সকল কার্যকলাপের প্রতি অনুগত থাকিয়া সংগঠনের গোপনীয়তা রক্ষা করিয়া চলিব।  আমিন!

২৪.      নির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ঃ

ক)        সংগঠনের  নীতি নির্ধারণ করবে ও যাবতীয় কার্যাবলী পরিচালনা করবে। 

খ)        সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ও নীতিমালা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

গ)        নির্বাহী পরিষদের কোন পদ শূন্য হলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে মনোনয়নের মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণ করবে।

ঘ)        সংগঠনের বেতনভোগী কর্মচারী নিয়োগ, সাসপেন্ড এবং বরখাস্ত করতে পারবেন।

ঙ)        সংগঠনের হিসাব নিকাশ অডিট করার জন্য আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠণ বা পেশাদার নিরীক্ষা কমিটি গঠণ।

চ)         বাজেট প্রণয়ন ও বরাদ্ধকৃত অর্থ একখাত থেকে অন্যখাতে স্থানান্তর।

ছ)        সংগঠনের সদস্যর জন্য কল্যাণকর যে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

পৃষ্ঠা ঃ ০৮

২৫.      কর্মকর্তাদের ক্ষমতা

ক. সভাপতি

১)         সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

২)        সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

৩)        মহাসচিবের অনুপস্থিতিতে সভা ডাকা।

৪)         সংগঠনের সকল কাগজপত্রে মহাসচিবের সঙ্গে সই করা।

৫)        সংগঠনের সকল কর্মকান্ডে মহাসচিবের সঙ্গে মুুক্ত আলাপ আলোচনা করে কর্মসূচী গহণে উপদেশ বা সাহায্য প্রদান।

৬)        সংগঠনের সকল কাজের তদারকী করা।

৭)         প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ কাজে তদারকী করা।

৮)        সংগঠনের প্রতিনিধি হিসাবে যে কোন সংস্থা বা সংগঠনের অথবা যে কোন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করা। তবে সংগঠনের পরবর্তী সভায় সকল সদস্যগণকে তা অবহিত করতে হবে।

৯)        বিতর্কমূলক কোন বিষয়ে দুই পক্ষের সমান সংখ্যক ভোট হলে একটি অতিরিক্ত ভোট দিয়ে তার সমাধান করা।

১০)       যে কোন অবস্থায় সংগঠনের জন্য কল্যাণকর * যে কোন প্রয়োজনীয় সিন্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন, তবে নির্বাহী পরিষদের পরবর্তী সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।

১১)       সংগঠনের স্বার্থে যে কোন কর্মসূচী বা কার্যভার গ্রহণ বাস্তবায়ন করার চূড়ান্ত ক্ষমতা থাকবে।

১২)       সভাপতি একই পদে দুই কার্যকালের বেশী ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। তবে নির্বাচনে সভাপতি পদ ব্যতিরেকে অন্য যে কোন  পদে প্রতিযোগিতা করিতে পারিবেন।

খ. সহ-সভাপতি

১)         সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

২)        সভাপতির অনুপস্থিতিতে তালিকায় ক্রমানুসারে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

৩)        সভাপতির অনুপস্থিতিতে কার্য পরিচালনার সকল ক্ষমতা প্রাপ্ত হবেন।

গ. মহাসচিব

১)         সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

২)        নির্বাহী পরিষদের ও সাধারণ পরিষদের সভা আহব্বান করবেন। 

৩)        সভাপতির সকল কাজে সহায়তা ও সভার কার্যক্রম উপস্থাপন ও সভা পরিচালনা করবেন।

৪)         সংগঠনের সকল কর্মসূচী  ও প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব পালন করবেন।

৫)        সংগঠনের সকল কাগজ পত্রে সভাপতির সহিত যুক্ত সই করবেন।

৬)        হিসাব রক্ষণ কাজে অর্থ সচিবকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করবেন।

৭)         সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে যে কোস সংস্থা বা সংগঠনের অথবা যে কোন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে পরবর্তী সভায় সংগঠনের সদস্যদের অবহিত করবেন।  

পৃষ্ঠা ঃ ০৯

৮)        সংগঠনের সকল শাখা সম্পাদকের কার্যকলাপের তদারকি, গুরুত্ব আরোপ, কর্তব্য -নিরূপণ ও নিয়ন্ত্রণ অথবা যে কোন ধরনের আদেশ উপদেশ প্রদানের অধিকার থাকবে।

৯)        সংগঠনের যে কোন দায়িত্ব বা কার্যবার সম্পন্ন করতে পারবেন।

১০)       সংগঠনের যে কোন প্রয়োজনে গঠিত উপকমিটির কর্মসূচী পরিচালনায় সকল ক্ষমতা থাকবে।

১১)       সংগঠনের যে কোন সদস্যকে সংগঠনের স্বার্থে যে কোন দায়িত্ব অর্পণ ও নির্দেশ দিতে পারবেন।

১২)       সংগঠনের স্বার্থে যে কোন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সভাপতি ও যে কোন একজন সদস্যের সমন্বয়ে আলোচনার মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে যে কোন সময় মতামত প্রদান অথবা নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন। পরবর্তী সভায় উহার ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য থাকবেন।

১৩)      সংগঠনের সস্বার্থে যে কোন কার্যক্রম বা কর্ম প্রবাহ জরুরী ভিত্তিতে স্থগিত রাখবার অধিকার থাকবে। তবে প্রয়োজনে তাহার পূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদানে বাধ্য থাকবেন।

১৪)       সকল সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষন করবেন।

১৫)      সকল স্থাবর  অস্থাবর সম্মত্তি রক্ষণা বেক্ষণ করবেন।

১৬)      নির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সভা পরিচালনা, সিন্ধান্ত সমূহ পাঠ ও দপ্তর সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পেশ করবেন।

১৭)       সংগঠনের আয় ব্যয়ের হিসাব তত্ত¡াবধান, বাজেট প্রণয়ন এবং বার্ষিক কার্য বিবরণী প্রস্তুত করবেন।

১৮)      সদস্য হওয়ার আবেদনপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিবেন।

১৯)      সংগঠন সংক্রান্ত যাবতীয় চিঠিপত্র আদান প্রদান এবং প্রয়োজনবোধে সভাপতির অনুমোদক্রমে স্বাক্ষর করবেণ।

২০)      মহাসচিব একই পদে দুই কায়কারের বেশী ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। তবে নির্বাচনে মহাসচিব পদ ব্যতিরেকে অন্য যে কোন পদে প্রতিযোগিতা করিতে পারিবেন।     

ঘ. সহ-মহাসচিব

১)         সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

২)        মহাসচিবের সকল কাজে সহায়তা দান করবেন।

৩)        মহাসচিবের নির্দেশে বিভিন্ন শাকার সম্পাদকের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন।

                        সংগঠনের স্বার্থে যে কোন দায়িত্ব পালন ও মহা সচিবের কাছে সকল কার্যক্রমের বিবরণ প্রদানেবাধ্য থাকবেন।

ঙ. অর্থ সচিব

১)         সদস্যদের দ্বারা  ভোটে নির্বাচিত হবেন।

২)        অর্থ সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন। লেন-দেন সংক্রান্ত সংগঠনের যাবতীয় হিসাব নিকাশ সংরক্ষণ করবেন।

৩)        সংগঠনের সংগৃহীত চাঁদা এবং অন্যান্য প্রাপ্ত টাকা সংগঠনের ব্যাংকের একাউন্ট-এ জমা দিবেন। এবং সংগঠনের রেজিস্টার খাতায় নথীভূক্ত করিবেন।

পৃষ্ঠা ঃ ১০

৪)         বাজেট ও বার্ষিক হিসাব সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ঠ প্রণয়নে মহাসচিবকে সাহায্য করবেন। 

৫)        কার্যবর্ষ শেষ হওয়ার পূর্বেই যাবতীয় হিসাব নিকাশ সমাধা করবেন এবং খরচের সমস্ত বিল ভাউচার সংরক্ষণ করবেন। 

চ. সাংগঠনিক সম্পাদক

ক)        সাংগঠনিক সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রধান সচেতক ও তিনিই সমিতির সকল সদস্যদের সঙ্গে  মূখ্য যোগাযোগকারী এবং সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করাই তার প্রধান কাজ। পূর্ন সদস্য সহযোগী সদস্য ও আজীবন সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাদেরকে সমিতির কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত করবেন।

খ)        সমিতির সকল সদস্যার সমস্যা ও অভিযোগ সম্পর্কে তিনি অবহিত থাকতে সচেষ্ট হবেন এবং কার্যনির্বাহী সদস্যদের পরামর্শ করে তিনি তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন।

গ)        সাধারণ সভায় কোরাম পূর্ণ করার দায়িত্ব পালন করবেন। 

ছ. দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক

১)         সাধারণ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

২)        সংগঠনের দপ্তরে নিয়মিত উপস্থিত থেকে সংগঠনের যাবতীয় কাগজ পত্র তৈরী ও পরিপূর্ণ করবার দায়িত্বে থাকবেন।

৩)        সংগঠনের যাবতীয় আসবাবপত্র ও কাগজ পত্র বা সংগঠনের সকল সম্পত্তির হিসাব ও রক্ষণাবেক্ষণের সকল দায়িত্বে থাকিবেন।

৪)         চিঠিপত্র লেখা ও সদস্যদের সাথে যোগাযোগের ব্যাপারে এবং সংগঠনের সকল রেকর্ড পত্র রক্ষণাবেক্ষনে মহাসচিবকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

৫)        মহাসচিবের নির্দেশে যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন। 

জ. বৈদেশিক বিষয়ক সম্পাদক

১)         সাধারণ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

২)        সংগঠনের স্বার্থে বিদেশের সঙ্গে চলচ্চিত্র বিষয়ে যে কোন ধরণের যোগাযোগ আদান-প্রদান, ভাব-বিনিময় কারিগরি বিনিময়, প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী ইত্রাদি ব্যবস্থার দায়িত্ব পালন করিবেন।

৩)        সংগঠনের স্বার্থে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবেন।

৪)         মহাসচিবের কাছে কার্যক্রমের রিপোর্ট প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন।

ঝ. সাংস্কৃতিক  সম্পাদক

১)         সাধারণ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

২)        সাংস্কৃতিক কার্যকলাপের কর্মসূচী তৈরী ও অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকবে।

৩)        সংগঠনের পত্রিকা, সাময়িকী, সংকলন, স্মরণিকা ইত্যাদি প্রকাশের দায়িত্বে থাকবেন।

৪)         সংগঠনের জন্য বই-পুস্তক, ম্যাগাজিন, জার্নাল ইত্যাদি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবেন।

৫)        মহাসচিবের নির্দেশে যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেণ।

পৃষ্ঠা ঃ ১১

ঞ. নির্বাহী পরিষদ সদস্য

১)         সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন।

২)        নির্বাহী পরিষদের যে কোন কার্যক্রমের উপর সংস্থার স্বার্থে সমালোচনা করার অধিকার থাকবে।

৩)        নির্বাহী পরিষদের সঠিক সিন্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করবেন ও সিন্ধান্ত বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করবেন।

৪)         মহাসচিবের নির্দেশে যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন।

২৬. নির্বাহী পরিষদ সদস্য পদ বাতিল

ক)        নির্বাহী পরিষদের যে কোন কর্মকর্তা বা সদস্য বিনা অনুমতিতে পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিলে পরবর্তী সভায় (চতুর্থ সভায়) উপস্থিত থাকার জন্য একটি নোটিশ তার নামে রেজিষ্ট্রার্ড খামে পাঠাতে হবে, তার পর যদি চতুর্থ সভায় কোন সন্তোষ জনক কারণ না দর্শাতে পারেন অথবা উপস্থিত না থাকেন তবে নির্বাহী পরিষদ থেকে তার সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।

খ)        নির্বাহী পরিষদ উক্ত শূন্য পদ  পরবর্তী যে কোন সভায় সংগঠনের অন্য কোন সদস্য কে করতে পারবেন।

গ)        তবে যে কোন সময় পদত্যাগ করতে পারবেন।

ঘ)        কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্যের বিপক্ষে অনাস্থা প্রস্তাবের আনয়ণ ক্ষেত্রে সাধারণ সদস্যের কমপক্ষে এক তৃতীয়াংশ সদসস্যের সম্মতি স্বাক্ষর থাকতে হবে।

২৭. আপীল বোর্ড

ক)        সংগঠনের প্রবীন তিনজন সদস্যকে নিয়ে আপীল বোর্ড গঠিত হবে, তাদের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন।

খ)        যে কোন শাস্তির বিরুদ্ধে আপীল হতে পারে।

গ)        আপীল বোর্ডের সিন্ধাতই চ‚ড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

২৮. নির্বাহী পরিষদের প্রতি অনাস্থা

ক)        নির্বাহী পরিষদের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করতে হলে মোট বৈধ সদস্যের এক তৃতীয়াংশের লিখিত প্রস্তাব সভাপতির নিকট পেশ করতে হবে, উক্ত আবেদন প্রাপ্তির এক মাসের মধ্যে সভাপতি একটি বিশেষ সাধারণ সভা আহবান করবেন, তবে অনাস্থা প্রস্তাব পাশ করতে হলে মোট সদস্য সংগঠনের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

খ)        অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হইলে উক্ত সভায় *৩ সদস্য বিশিষ্ট এশটি এডহক কমিটি গঠিত হবে। উক্ত কমিটি দায়িত্ব গ্রহনের * এক মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করবেন।

২৯. সভার কোরাম

ক)        নির্বাহী পরিষদের বিশেষ সভা ৩ দিনের নেসাটিশে, এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে।

খ)        নির্বাহী পরিষদের মাসিক সভা প্রতি মাসের ২য় শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

গ)        সব সভার কোরামের নিয়ম হবে সদস্যের এক তৃতীয়াংশ উপস্থিতি।

পৃষ্ঠা ঃ ১২

৩০. নির্বাচন

ক)        নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার অন্যান্য * ১ মাস পূর্বে * ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। তাদের একজন হবেন চেয়ারম্যান, বাকীরা সদস্য।

উক্ত কমিশন * সাধারণ পরিষদের সভায় গঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশন নির্বাহী পরিষদ অথবা সাধারণ পরিষদ অথবা অন্য কোন চলচ্চিত্র সংগঠন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে।

খ)        নির্বাহী পরিষদের শেষ কার্যকালের মধ্যে সংগঠনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গ)        নির্বাচন কমিশন বিধি মোতাবেক নির্বাচন পরিচালনা করবেন।

ঘ)        কোস সদস্যের চাঁদা বকেয়া থাকলে ঐ সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না  এবং নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে পারবে না।

ঙ)        নির্বাচন কমিশনের সংগঠনের সদস্যবৃন্দ নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে ভোট দানের ক্ষমতা থাকবে।

চ)         নির্বাচন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের রায় চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

৩১. গঠণতন্ত্রের সংশোধন

ক)        গঠণতন্ত্রের যে কোন সংশোধন পরিবর্তন, পরিমার্জন এবং পরিবদ্ধন কেবল মাত্র সংগঠনের সাধারণ সভায় উপস্থিতি দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে গৃহীত হবে।

খ)   গঠণতন্ত্রের সংগে সংগতি রেখে প্রয়োজনে নির্বাহী পরিষদ উপবিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।

৩২. অভিযোগ ও শস্তি বিধান

ক)        যদি কোন সদস্য অথবা নির্বাহী কোন কর্মকর্তা সংগঠনের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত হন তবে যে কোন সদস্য তা লিখিতভাবে অভিযোগ করতে পারবেন নির্বাহী পরিষদ বরাবর। নির্বাহী পরিষদ উক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতিত ঐ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠণ করবে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী নির্বাহী পরিষদ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

খ)        কোন সদস্য বা কর্মকর্তা সংগঠনের অর্থ বা কোন প্রকার সম্পদ বিনষ্ট বা আত্মসাৎ করেন তবে তাৎক্ষনিক উক্ত বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেতদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সংগঠন ঐ দোষী ব্যক্তির নিকট হইতে নগদ অর্থ বা সম্পদ সম্পূর্ণ  আদায় করিতে বাধ্য করবেন।  অন্যথায় দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী  তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

গ)        যদি কোন অভিযোগকারীর অভিযোগ তদন্ত কমিটির দ্বারা মিথ্যা, অসত্য বা অসৎ উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয় তবে ঐ অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে  সংগঠন শাস্তিমূলক  ব্যবস্থা হিসেবে তাহার সদস্যপদ আজীবনের জন্য বাতিল, সংগঠন থেকে বহিস্কার, চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং চিত্রগ্রহণ কর্ম থেকে বিরত করা সহ দেশের প্রচলিত আইনুযায়ী বিচার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঘ)        যদি কোন চিত্রগ্রাহক  কোন প্রযোজক ও পরিচালকের নিকট তাহার চিত্রগ্রহণের বকেয়া পাওনা টাকা আদায় অথবা অন্য কোন জটিলতা বিষয়ে ঐ সদস্য সংগঠনের প্রত্যয়ন পত্র দাখিল করিতে হইবে। অন্যথায় আবেদনটি বাতিল বলিয়া গণ্য হবে।

ঙ)        বিদেশী অথবা যৌথ প্রযোজনায় ছবিতে কোন সদস্য চিত্রগ্রহণে চুক্তিবদ্ধ হলে অবশ্যই সংগঠন কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্রের আবেদন ফর্মে উল্লেখ করতে হবে।

পৃষ্ঠা ঃ ১৩

৩৩. সংগঠনের অবলুপ্তি

সংগঠনের চার পঞ্চমাংশ সদস্যের সম্মতিক্রমে সংগঠনের বিলুপ্তি ঘাঁনো যাবে। তবে অনুরূপ ক্ষেত্রে সদস্যদের স্বাক্ষর সম্বলিত সিন্ধান্ত সরকারের সমাজ সেবা বিভাগে জানাতে হবে। উক্ত বিভাগ সংগঠনের বিলুপ্তি ঘোষণা করেএকটি আদেশ জারী করার পর সংগঠনের চূড়ান্ত বিলুপ্তি ঘচবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে সংগটনের স্থাবর অস্থাবর সম্মপ্তি বিক্রয় করেসংগঠনের দেনা পাওনা শোধ করা যাব্ েঅথবা সংগঠনের সকল সম্পদ সরকারের অনুমোদন প্রাপ্ত জনকল্যাণ মূলক প্রতিষ্ঠানকে দান করা যাবে।

৩৪. অঙ্গীকার

আমরা চলচ্চিত্র গ্রাহকেরা মিলিত হয়ে এ সংগঠনের গঠণতন্ত্র রচনা করলাম ও গ্রহন করলাম এবং সংগঠনের উন্নতি বিধান ও নিজেদের স্বার্থের উর্দ্ধে সামগ্রিক স্বার্থের প্রতি সদা জাগ্রত থেকে সংগঠনের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তব্য, দায়িত্ব, অধিকার এবং ন্যায়নীতির প্রতি অনুগত ও কর্তব্য পরায়ণ থাকব বলে অঙ্গীকার করছি।

পৃষ্ঠা ঃ ১৪

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা’র বর্তমান কমিটির

মেয়াদকার ঃ ২০১৩-২০১৭

(স্থাপিত ঃ ১৯৭২ খ্রস্টাব্দ, গভঃ রেজিঃ নং ৩৯৯৬ /বি/২৪৭)

সভাপতি                                               ঃ জনাব রেজা লতিফ

সহ-সভাপতি                             ঃ জনাব আবু হেনা বাবলু

                                                            ঃ জনাব আলমগীর খসরু

মহাসচিব                                  ঃ জনাব জেড এইচ মিন্টু

সহ মহাসচিব                            ঃ জনাব আসাদুজ্জামান মজনু

অর্থ সচিব                                 ঃ জনাব ফছিহুল আলম ঝুমুর

দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক             ঃ জনাব আজগর আলী

সাংস্কৃতিক সম্পাদক                  ঃ জনাব তপন আহমেদ

বৈদেশিক বিষয়ক সম্পাদক       ঃ জনাব লাল মোহাম্মদ

নির্বাহী পরিষদ সদস্যবৃন্দ                       ঃ জনাব দিলীপ ভৌমিক

                                                            ঃ জনাব এম এইচ স্বপন

                                                            ঃ জনাব কাজী এমদাদুল হক

                                                            ঃ জনাব সাইফুল ইসলাম বাদল

                                                            ঃ জনাব এম এ কাইয়ুম

                                                            ঃ জনাব এস এম আজহার

পৃষ্ঠা ঃ ১৫

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা’র বর্তমান কমিটির

মেয়াদকার ঃ ২০১৭-২০১৯

(স্থাপিত ঃ ১৯৭২ খ্রস্টাব্দ, গভঃ রেজিঃ নং ৩৯৯৬ /বি/২৪৭)

সভাপতি                                               ঃ

সহ-সভাপতি                             ঃ

                                                            ঃ

মহাসচিব                                  ঃ

সহ মহাসচিব                            ঃ

অর্থ সচিব                                 ঃ

দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক             ঃ

সাংস্কৃতিক সম্পাদক                  ঃ

বৈদেশিক বিষয়ক সম্পাদক       ঃ

নির্বাহী পরিষদ সদস্যবৃন্দ                       ঃ

                                                            ঃ

                                                            ঃ

                                                            ঃ

                                                            ঃ

                                                            ঃ 

পৃষ্ঠা ঃ ১৬

(স্থাপিত ঃ ১৯৭২ খ্রস্টাব্দ, গভঃ রেজিঃ নং ৩৯৯৬ /বি/২৪৭)

প্রকাশনায়

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা

বিএফডিসি, তেজগাঁও, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন ঃ ৮১২৬০৭৭, ফ্যাক্স ঃ ৮৮-০২-৮১২৬০৭৭